
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলের রাজধানী এরবিল শহরে অবস্থিত লানাজ তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার এ হামলার পর শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড দেখা দেয় এবং নিরাপত্তার স্বার্থে সব কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পুরোপুরি নিরূপণ না হওয়া পর্যন্ত শোধনাগারের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে। জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে এ ধরনের হামলা স্থানীয় সরকারের জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লানাজ তেল শোধনাগার অঞ্চলটির অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। তেল উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় এ স্থাপনাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
তবে এই হামলার দায় এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি।
এদিকে ইরানি গণমাধ্যমগুলো এক নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, এই হামলার সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ইরানের কেন্দ্রীয় ইউনিফাইড কমান্ড ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোনের আদলে তৈরি নকল ড্রোন ব্যবহার করে তুরস্ক, কুয়েত ও ইরাকের মতো আঞ্চলিক দেশগুলোতে হামলা চালানো হচ্ছে।
ইরানি সামরিক কমান্ড আরও দাবি করেছে, তারা শুধুমাত্র মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে এবং এই শোধনাগারে হামলার ঘটনায় তাদের কোনো ভূমিকা নেই।
অন্যদিকে ইরাকের কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠীও এই হামলায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, শোধনাগারটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয় সরকার উদ্বেগে রয়েছে। কারণ তেল উৎপাদন ও রপ্তানিই এ অঞ্চলের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি।
—আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সূত্র: ব্লুমবার্গ, আল-জাজিরা
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ এস এম নজরুল ইসলাম অফিসঃ ৫৬/৫৭ শরীফ ম্যানশন(৪র্থ তলা) মতিঝিল কমার্সিয়াল এলাকা,ঢাকা-১০০০ মোবাইলঃ ০১৭১৪-৩৪০৪১৭ ইমেইলঃ kazialamin577@gmail@gmail.com
Copyright © 2026 দৈনিক আশুলিয়া. All rights reserved.