দৈনিক আশুলিয়া
প্রকাশ: ১২:৪৪, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট-১ আসনে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা সকালেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে নগরীর কিনব্রিজ সংলগ্ন শারদা স্মৃতি হল কেন্দ্রে ভোট দেন বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। অন্যদিকে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শিবগঞ্জ এলাকার স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান।
ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির গণমাধ্যমকে জানান, এখন পর্যন্ত ভোটগ্রহণে কোনো বাধা বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকটি কেন্দ্র থেকে নারীদের ভোটগ্রহণের ধীরগতির বিষয়টি তার নজরে এসেছে।
তিনি বলেন, ভোট শুরু হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে নারীদের লাইনে ভোটগ্রহণ তুলনামূলক ধীরগতির পর্যবেক্ষণ পাওয়া গেছে। নারীদের ভোটগ্রহণের গতি আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
খন্দকার মুক্তাদির আরও বলেন, দেশের জনগণ আবার সংবিধান স্বীকৃত ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান ভোটাধিকার প্রয়োগের পর সুন্দর নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রশাসন আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং এখন পর্যন্ত সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ সন্তোষজনক রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সারাদেশে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ সময় সাংবাদিকরা গত রাতের কয়েকটি ঘটনার প্রসঙ্গ তুললে মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি থেকে ঘটেছে। তিনি জানান, দুটি কেন্দ্রে কয়েকজন পর্যবেক্ষক গিয়েছিলেন এবং তাদের পক্ষ থেকেই এজেন্টদের রাতে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে পরিচিত হতে বলা হয়েছিল।
দৈনিক আশুলিয়া ডেস্ক
নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট-১ আসনে বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা সকালেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে নগরীর কিনব্রিজ সংলগ্ন শারদা স্মৃতি হল কেন্দ্রে ভোট দেন বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। অন্যদিকে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শিবগঞ্জ এলাকার স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান।
ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির গণমাধ্যমকে জানান, এখন পর্যন্ত ভোটগ্রহণে কোনো বাধা বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকটি কেন্দ্র থেকে নারীদের ভোটগ্রহণের ধীরগতির বিষয়টি তার নজরে এসেছে।
তিনি বলেন, ভোট শুরু হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে নারীদের লাইনে ভোটগ্রহণ তুলনামূলক ধীরগতির পর্যবেক্ষণ পাওয়া গেছে। নারীদের ভোটগ্রহণের গতি আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
খন্দকার মুক্তাদির আরও বলেন, দেশের জনগণ আবার সংবিধান স্বীকৃত ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান ভোটাধিকার প্রয়োগের পর সুন্দর নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রশাসন আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং এখন পর্যন্ত সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ সন্তোষজনক রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সারাদেশে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ সময় সাংবাদিকরা গত রাতের কয়েকটি ঘটনার প্রসঙ্গ তুললে মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি থেকে ঘটেছে। তিনি জানান, দুটি কেন্দ্রে কয়েকজন পর্যবেক্ষক গিয়েছিলেন এবং তাদের পক্ষ থেকেই এজেন্টদের রাতে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে পরিচিত হতে বলা হয়েছিল।
দৈনিক আশুলিয়া ডেস্ক

