ভোলায় তীব্র কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভোলা নৈশ ও দিবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ঝড়ে বিদ্যালয়ের টিনশেড ভবনের চাল উড়ে গিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) মধ্যরাতে হঠাৎ করে বয়ে যাওয়া প্রবল ঝড়ে বিদ্যালয়টির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
স্থানীয়রা জানান, ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয়ের টিনের ছাউনি উড়ে যায়, দরজা-জানালা ভেঙে পড়ে এবং ভবনের কিছু অংশে ফাটল দেখা দেয়। ঝড়ের সঙ্গে ভারী বৃষ্টির কারণে শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ, টেবিল, বই-খাতা ও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা উপকরণ নষ্ট হয়ে গেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শারাফাত হোসেন বলেন, “ঝড়ে এত বেশি ক্ষতি হয়েছে যে ঈদের পর স্কুল খুললেও স্বাভাবিকভাবে পাঠদান চালানো কঠিন হবে। দ্রুত সংস্কার না করলে শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়বে।”
তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানান।
এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।
📌 সারসংক্ষেপ:
-
স্থান: ভোলা
-
ক্ষতি: বিদ্যালয়ের টিনের চাল উড়ে গেছে
-
প্রভাব: পাঠদান অনিশ্চিত
-
দাবি: দ্রুত সংস্কার
দৈনিক আশুলিয়া – দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে, সবসময়।
ভোলা কালবৈশাখী ঝড়, স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ, storm damage Bhola school, Kalboishakhi Bangladesh news, school destroyed storm

