ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের শাসনের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নারী ও কিশোরীদের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মালালা ইউসুফজাই।
মালালা বলেছেন, অর্থনৈতিক দুরবস্থাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ইরানের এই বিক্ষোভকে নারীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্র আরোপিত বিধিনিষেধ থেকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। তাঁর মতে, শিক্ষা, মতপ্রকাশ ও সামাজিক জীবনে নারীদের স্বাধীনতার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপই এই আন্দোলনের অন্যতম মূল কারণ।
তিনি লেখেন, “ইরানের মেয়েরাও মর্যাদাপূর্ণ জীবন চায়।”
মালালা ইউসুফজাই আরও বলেন, “দশকের পর দশক ধরে ইরানের মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। নারীদের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ লিঙ্গভিত্তিক নিয়ন্ত্রণেরই অংশ, যা পৃথকীকরণ, নজরদারি ও শাস্তির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়।”
নারীদের রাজনৈতিক অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইরানের নারীরা চান তাদের কথা শোনা হোক এবং তারা নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার পাক। “বাইরের কোনো শত্রু কিংবা দমনমূলক শাসক নয়—ইরানের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠতে হবে ইরানের নারীদের নেতৃত্বেই,”—জোর দিয়ে উল্লেখ করেন তিনি।
মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মালালা লেখেন, “আমি ইরানের মানুষ ও মেয়েদের স্বাধীনতা ও মর্যাদার দাবির সমর্থনে তাদের পাশে রয়েছি। তারা নিজস্ব ভবিষ্যৎ নির্ধারণের পূর্ণ অধিকার রাখে।”
উল্লেখ্য, মালালা এর আগেও ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সরব ছিলেন। সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে তিনি **নারগেস মোহাম্মাদি**কে গ্রেপ্তারের ঘটনায় **নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি**র অবস্থানের সঙ্গে একমত হয়ে তীব্র নিন্দা জানান।
—
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দৈনিক আশুলিয়া




