নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে সদস্যদের ব্যবহৃত হেডফোন ও সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি হেডফোনের আকার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এটি ব্যবহারে সংসদ সদস্যদের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
গতকাল জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় (পয়েন্ট অব অর্ডার) অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।
আলোচনার সময় হাতে হেডফোন তুলে ধরে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, “এখন এত বড় বোঝা… মনে হয় একটি বাজেট করা হয়েছিল, আর সেখান থেকে লুটপাট বাহিনী বিল করার জন্য এই ব্যবস্থা করেছে।” তিনি আরও বলেন, সাউন্ড সিস্টেম উন্নত করতে সাধারণ ও ছোট আকারের হেডফোন ব্যবহার করলেই যথেষ্ট।
স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের দীর্ঘ সময় অধিবেশন কক্ষে বসে থাকতে হয়। মাথার ওপর দিয়ে এত বড় হেডফোন ব্যবহার করা কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি দাবি করেন, ১৯৯১ সালের সংসদেও এ ধরনের হেডফোন ছাড়া কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। ২০০১ সালের চারদলীয় জোট সরকারের সময়েও একইভাবে সংসদ পরিচালিত হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, “সাউন্ড সিস্টেমটা আধুনিক করা হলে আমরা খুশি হব। তবে এত বড় হেডফোনের প্রয়োজন নেই।”
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন বিরতির পর নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হলে সংসদের সাউন্ড সিস্টেমে কিছু সময়ের জন্য বিভ্রাট দেখা দেয়। এ সময় স্পিকার হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করে কিছুক্ষণ অধিবেশন পরিচালনা করেন এবং পরে ২০ মিনিটের জন্য সভা মুলতবি ঘোষণা করেন।
বিরতির পর অধিবেশন পুনরায় শুরু হলেও সংসদ কক্ষের সব মাইক্রোফোন ঠিক হয়নি। এ বিষয়ে একাধিক সংসদ সদস্য স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
—নিজস্ব প্রতিবেদক

