হেলাল শেখঃ রমজানকে সামনে রেখে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের ভিন্নমুখী বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকদের অধিক উৎপাদন এবং বাজার তদারকির প্রভাব-দুই দিক থেকেই বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
উৎপাদন বেশি, দাম কম
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে আলুর উৎপাদন গত কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ-এ চলতি মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন হওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম কমেছে। অনেক স্থানে ৮–১০ কেজি আলু ১০০ টাকায় বিক্রির কথাও শোনা যাচ্ছে।
বাজার তদারকি ও সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ রমজান মাসে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত বাজার তদারকি কার্যক্রম চালাচ্ছে। তাদের অভিযানে অতিরিক্ত দাম আদায়, মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে বিভিন্ন ব্যবসায়ীকে জরিমানাও করা হচ্ছে। ফলে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর সুযোগ কমেছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক বক্তব্য
কিছু ব্যবসায়ী দাবি করছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আলুর দাম কেজিপ্রতি ৮০-১০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকারের আমলে দাম তুলনামূলকভাবে কম-এমন মন্তব্যও শোনা যাচ্ছে। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য সরকারি পরিসংখ্যান যাচাই করা প্রয়োজন। অন্যান্য সবজির দাম-বাজারে বেগুন, টমেটো, শসা, মুলা, কপি-বেশিরভাগ সবজির দাম আগের তুলনায় কমেছে বলে ক্রেতারা জানিয়েছেন। তবে লেবুর দাম দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। মৌসুমি প্রভাব ও সরবরাহ ঘাটতি লেবুর দামের পেছনে কারণ হতে পারে বলে ব্যবসায়ীরা বলছে,
আলুর বাম্পার ফলনে দাম কমেছে। ভোক্তা অধিদপ্তরের তদারকিতে কৃত্রিম সংকট কমেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দাবি।

