হেলাল শেখঃ দেশ ও জাতির স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জনবল ও সক্ষমতা বৃদ্ধি-এটি দীর্ঘদিনের আলোচিত একটি বিষয়।
বাংলাদেশে বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যসংখ্যা তুলনামূলকভাবে সীমিত জনবল নিয়ে কাজ করছে বলে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে।
একইভাবে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর সদস্যসংখ্যাও নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা, নগরায়ণ, শিল্পায়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে জনবল ও লজিস্টিক ঘাটতির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
যে বিষয়গুলো বিবেচ্য:
১. জনবল বৃদ্ধি: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং কারারক্ষী বাহিনীতে পর্যাপ্ত নিয়োগ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সহায়ক হতে পারে।
২.অবকাঠামো ও যানবাহন সংকট: অনেক থানায় নিজস্ব ভবন ও আধুনিক যানবাহনের ঘাটতি থাকলে কার্যক্রমে প্রভাব পড়ে। পুরোনো গাড়ি, ভাড়া অফিস বা সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে কার্যকর অভিযান পরিচালনা কঠিন হয়ে যায়। তাই শুধু জনবল নয়-আধুনিক প্রযুক্তি, যানবাহন ও অবকাঠামো উন্নয়নও জরুরি।
৩. জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযান: মাদক ও অবৈধ জুয়ার বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সামাজিক সচেতনতা-সবকিছু একসঙ্গে প্রয়োজন। শুধু কঠোরতা নয়,পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
৪. কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি:
নিয়োগ বৃদ্ধি করলে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে-এটি ইতিবাচক দিক। তবে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ভারসাম্য, বাজেট সক্ষমতা ও প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

