ঢাকাFriday , 27 February 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলামী জীবন
  6. খেলাধুলা
  7. জাতীয়
  8. টক শো
  9. বিনোদন
  10. বিশেষ প্রতিবেদন
  11. রাজনীতি
  12. সারাদেশ
  13. হেলথ কর্নার
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে আটা-ময়দা, ডিম ও মুরগির দাম সবজি স্থিতিশীল, আমদানি বাড়লেও উচ্চ দামে খেজুর বিক্রি

দৈনিক আশুলিয়া
February 27, 2026 3:13 pm
Link Copied!

দৈনিক আশুলিয়া
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রতিবেদক: মোঃ আল আমিন কাজী

ঢাকা: সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর খুচরা বাজারে খোলা আটা, ময়দা, পেঁয়াজ, ডিম ও মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে রমজানের শুরু থেকেই খেজুরের উচ্চমূল্য নিয়ে ভোক্তাদের অসন্তোষ রয়েছে। রাজধানীর কাওরানবাজার ও শান্তিনগর বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি বছর রমজান এলে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের চাহিদা একযোগে বেড়ে যায়। ফলে দামে চাপ তৈরি হয়। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় এবার কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা কমেছে।

বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি বেগুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা, শসা ৭০ থেকে ১০০ টাকা এবং খিরা ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সবজির দাম মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। লেবুর দামও কমেছে—মানভেদে প্রতি হালি ৪০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা রমজানের শুরুতে ১০০ থেকে ১৬০ টাকা ছিল। কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দামেও কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা আটা ও ময়দার দাম কেজিপ্রতি ৪ থেকে ৫ টাকা কমেছে। বর্তমানে খোলা সাদা আটা ৪০ থেকে ৪৬ টাকা এবং খোলা ময়দা ৪৮ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজারেও কমেছে দাম। খুচরায় ফার্মের বাদামি ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। এছাড়া ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমে বর্তমানে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে রমজানে চাহিদা বেড়েছে খেজুরের। সাধারণ মানের খেজুর বর্তমানে কেজিপ্রতি ৩২০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যদিও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে খেজুর আমদানি বেড়েছে। গত ১ নভেম্বর থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে খেজুর আমদানি হয়েছে ৪৯ হাজার ৮০৭ টন। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৪ হাজার ৭১৬ টন। অর্থাৎ আমদানি বেড়েছে ৫ হাজার ৯১ টন বা ১১ দশমিক ৪ শতাংশ।

সরকার খেজুরের দাম সহনীয় রাখতে আমদানি শুল্ক কমালেও বাজারে এর প্রভাব তেমনভাবে পড়েনি। ভোক্তারা বলছেন, সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও উচ্চমূল্য রহস্যজনক এবং এ বিষয়ে বাজার তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রমজানের মাঝামাঝি সময়ে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আরও কিছু পণ্যের দামে স্বস্তি ফিরতে পারে।